নাশকতার মামলা হলো এমন একটি মামলা যেখানে কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোনও বস্তু বা ব্যবস্থার ক্ষতি বা ধ্বংসের চেষ্টা করে। নাশকতা একটি গুরুতর অপরাধ, তাই নাশকতার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

নাশকতার মামলা একটি গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। তাই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা জরুরি।

নাশকতার মামলার কিছু উদাহরণ হলো:

  • কোনও ভবন, স্থাপনা, যানবাহন বা অন্য কোনও বস্তুতে অগ্নিসংযোগ করা
  • কোনও বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে কোনও বস্তু বা ব্যবস্থার ক্ষতিসাধন করা
  • কোনও ব্যক্তি, দল বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শারীরিক বা মানসিক আক্রমণ করা
  • রাষ্ট্র বা সরকারের বিরুদ্ধে গোপনে চক্রান্ত করা

বাংলাদেশে নাশকতার মামলা সাধারণত বাংলাদেশের দণ্ডবিধির ১৪৭ থেকে ১৫০ ধারা অনুসারে দায়ের করা হয়। এই ধারাসমূহ নাশকতার বিভিন্ন ধরনকে সংজ্ঞায়িত করে এবং এতে দোষী সাব্যস্ত হলে কি কি শাস্তি হতে পারে তা নির্ধারণ করে।

নাশকতার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে বিভিন্ন ধরনের শাস্তি হতে পারে, যেমন:

  • মৃত্যুদণ্ড
  • আজীবন কারাদণ্ড
  • সাত বছরের কম নয় এমন যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড
  • জরিমানা

বাংলাদেশে নাশকতার মামলা সাধারণত দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচার করা হয়। এই ট্রাইব্যুনালগুলোর বিশেষ ক্ষমতা রয়েছে যে তারা নাশকতার মামলায় আসামিদের জামিন না দিতে পারে।