জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট হল সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের ভোট। সংসদে কোনো প্রস্তাব বা বিলের ওপর ভোট গ্রহণের সময় যদি ভোট স্থির থাকে, তাহলে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার একটি কাস্টিং ভোট দেন। এই ভোটের মাধ্যমে প্রস্তাব বা বিল পাস বা না পাস হয়।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের ভোট প্রয়োজন হলে তিনি প্রস্তাব বা বিলের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন।”

জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোটের কিছু উদাহরণ হল:

  • ২০২৩ সালের ১৫ আগস্ট, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় সংসদে একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। এই প্রস্তাবের ওপর ভোট গ্রহণের সময় ভোট স্থির হয়। এরপর স্পিকার একটি কাস্টিং ভোট দিয়ে প্রস্তাবটি পাস করেন।
  • ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ, জাতীয় সংসদে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে একটি প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। এই প্রস্তাবের ওপর ভোট গ্রহণের সময় ভোট স্থির হয়। এরপর ডেপুটি স্পিকার একটি কাস্টিং ভোট দিয়ে প্রস্তাবটি পাস করেন।

কাস্টিং ভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা যা অচলাবস্থা এড়াতে সাহায্য করে। এটি নিশ্চিত করে যে সংসদে কোনো প্রস্তাব বা বিল পাস বা না পাস হবে তা নির্ধারণ করা হবে।