হিপোক্রেসি বলতে বোঝায় একজন ব্যক্তির আচরণ এবং তার বিশ্বাস বা মূল্যবোধের মধ্যে অসঙ্গতি। যখন একজন ব্যক্তি অন্যদের কাছে একটি নির্দিষ্ট নীতি বা আচরণ মেনে চলার উপদেশ দেয়, কিন্তু নিজে সেই নীতি বা আচরণ মেনে চলে না, তখন তাকে হিপোক্রিট বা ভণ্ড বলা হয়।

হিপোক্রেসির কিছু উদাহরণ:

  • একজন ব্যক্তি যদি অন্যদের ধূমপান না করার উপদেশ দেয়, কিন্তু নিজে ধূমপান করে, তাহলে সে হিপোক্রিট।
  • একজন রাজনীতিবিদ যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু নিজে দুর্নীত হয়, তাহলে সে হিপোক্রিট।
  • একজন ধর্মীয় নেতা যদি অন্যদের নৈতিকভাবে জীবনযাপন করার উপদেশ দেয়, কিন্তু নিজে অনৈতিক কাজ করে, তাহলে সে হিপোক্রিট।

হিপোক্রেসি সমাজে বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি জনগণের বিশ্বাস ভেঙে ফেলতে পারে এবং নীতি ও আদর্শের প্রতি তাদের সম্মান কমিয়ে দিতে পারে। এছাড়াও, হিপোক্রেসি সামাজিক বিভাজন এবং দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করতে পারে।

হিপোক্রেসি এড়াতে, আমাদের সকলের নিজস্ব আচরণ এবং বিশ্বাসের মধ্যে সামঞ্জস্য রক্ষা করার চেষ্টা করা উচিত। আমরা যা বিশ্বাস করি, তা অনুসরণ করা উচিত এবং অন্যদের কাছে যা উপদেশ দিই, তা নিজেও মেনে চলা উচিত।