অরোরা, যা মেরুজ্যোতি নামেও পরিচিত, আকাশে একধরনের প্রাকৃতিক আলোর প্রদর্শনী। এটি সাধারণত উচ্চ অক্ষাংশের এলাকায়, যেমন আর্কটিক এবং অ্যান্টার্কটিকের কাছাকাছি অঞ্চলে দেখা যায়।

অরোরা কীভাবে তৈরি হয়:

  • সূর্য থেকে আসা চার্জযুক্ত কণা (যেমন ইলেকট্রন এবং প্রোটন) পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা আকৃষ্ট হয়।
  • এই কণাগুলি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে যখন তারা মেরু অঞ্চলের কাছাকাছি পৌঁছায়।
  • বায়ুমণ্ডলে থাকা পরমাণু এবং অণুগুলির সাথে সংঘর্ষের ফলে এই কণাগুলি তাদের শক্তি হারিয়ে ফেলে।
  • এই শক্তি আলোর রূপে নির্গত হয়, যা আমরা অরোরা হিসাবে দেখতে পাই।

অরোরার রঙ:

  • অরোরার রঙ নির্ভর করে বায়ুমণ্ডলে কোন পরমাণু বা অণুর সাথে সংঘর্ষ হয় তার উপর।
  • অক্সিজেন পরমাণু সবুজ এবং লাল আলো তৈরি করে, নাইট্রোজেন পরমাণু নীল এবং বেগুনি আলো তৈরি করে।
  • সবচেয়ে সাধারণ রঙ হল সবুজ, কারণ বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি থাকে।

অরোরা কোথায় দেখা যায়:

  • অরোরা সবচেয়ে ভালো দেখা যায় উচ্চ অক্ষাংশের এলাকায়, যেমন আর্কটিক এবং অ্যান্টার্কটিকের কাছাকাছি।
  • কিছু জনপ্রিয় অরোরা দর্শন স্থান:
    • আলাস্কা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
    • নর্থওয়েস্ট টেরিটরিজ, কানাডা
    • ইসল্যান্ড
    • নরওয়ে
    • সুইডেন
    • ফিনল্যান্ড
  • বাংলাদেশ থেকে অরোরা দেখা সম্ভব নয়, কারণ এটি খুব দক্ষিণ অক্ষাংশে অবস্থিত।