লক্ষ্যার্থ শব্দের গৌণ অর্থ প্রকাশ করে।

ব্যাখ্যা:

  • বাচ্যার্থ: শব্দের অভিধানিক অর্থ, অর্থাৎ শব্দের মূল অর্থ।
  • লক্ষ্যার্থ: বাচ্যার্থের বাইরে, বক্তার অভিপ্রায় অনুসারে শব্দের যে অর্থ বোঝায়।

উদাহরণ:

  • বাক্য: “সে বড় লোক”।
  • বাচ্যার্থ: “সে উচ্চতায় বড়”।
  • লক্ষ্যার্থ: “সে সম্মানিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তি”।

লক্ষ্যার্থের প্রকারভেদ:

  • উপলক্ষিত: বক্তার উদ্দেশ্য অনুধাবন করে বোঝা যায়।
  • অনুমান: বক্তার কথার প্রসঙ্গ বিবেচনা করে বোঝা যায়।
  • প্রযোজ্য: বক্তার কথার প্রসঙ্গ এবং বাস্তব অবস্থার সমন্বয় করে বোঝা যায়।

লক্ষ্যার্থ ব্যবহারের গুরুত্ব:

  • সাহিত্যকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
  • ভাব প্রকাশে স্পষ্টতা ও গভীরতা আনে।
  • লেখকের অভিপ্রায় স্পষ্টভাবে বোঝার সুযোগ করে দেয়।

উল্লেখ্য: লক্ষ্যার্থ বোঝার জন্য বক্তার কথার প্রসঙ্গ, বাস্তব অবস্থা, এবং লেখকের জীবন ও দর্শনের জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।