বিপদ সংকেত বিভিন্ন ধরণের বিপদকে নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়। কিছু সাধারণ বিপদ সংকেতের মধ্যে রয়েছে:

দৃশ্যমান সংকেত:

  • লাল: বিপদ বা সতর্কতা নির্দেশ করে।
  • হলুদ: সতর্কতা বা সাবধানতা নির্দেশ করে।
  • সবুজ: নিরাপত্তা বা যাওয়ার অনুমতি নির্দেশ করে।
  • নীল: নির্দিষ্ট নির্দেশাবলী বা তথ্য নির্দেশ করে।
  • কালো: বিপজ্জনক পদার্থ বা এলাকা নির্দেশ করে।

শব্দ সংকেত:

  • সাইরেন: জরুরী অবস্থা বা বিপদ নির্দেশ করে।
  • ঘণ্টা: সতর্কতা বা সতর্কতা নির্দেশ করে।
  • হুইসেল: বিপদ বা সতর্কতা নির্দেশ করে।
  • ভয়েস বার্তা: নির্দেশাবলী বা তথ্য প্রদান করে।

স্পর্শ সংকেত:

  • ঝাঁকুনি: মনোযোগ আকর্ষণ করতে বা বিপদ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
  • ধাক্কা: সতর্কতা বা সতর্কতা নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।
  • টান: নির্দেশাবলী অনুসরণ করতে বা নির্দিষ্ট এলাকা এড়াতে ব্যবহৃত হয়।

গন্ধ সংকেত:

  • গ্যাসের গন্ধ: বিষাক্ত গ্যাসের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
  • ধোঁয়া: আগুন বা অন্যান্য বিপদের উপস্থিতি নির্দেশ করে।
  • রাসায়নিক গন্ধ: বিপজ্জনক রাসায়নিকের উপস্থিতি নির্দেশ করে।

আন্তর্জাতিক বিপদ সংকেত:

  • SOS: আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিপদ সংকেত যা জীবন-হুমকির বিপদ নির্দেশ করে।
  • মেডিকেল স্টার: চিকিৎসা সহায়তার প্রয়োজন নির্দেশ করে।
  • রেডিয়োঅ্যাক্টিভ সতর্কতা প্রতীক: তেজষ্ক্রিয় পদার্থের উপস্থিতি নির্দেশ করে।

এই তালিকাটি সম্পূর্ণ নয়, এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে বিভিন্ন বিপদ সংকেত ব্যবহার করা যেতে পারে। আপনার যদি কোন বিপদ সংকেত সম্পর্কে প্রশ্ন থাকে, বা আপনি যদি বিপদে থাকেন তবে সাহায্যের জন্য অবিলম্বে জরুরী পরিষেবাগুলিতে যোগাযোগ করুন।

বাংলাদেশে ব্যবহৃত কিছু বিশেষ বিপদ সংকেত:

  • আবহাওয়া সতর্কতা সংকেত: ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ঝড়ো হাওয়া ইত্যাদির মতো আবহাওয়ার বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • নৌ বিপদ সংকেত: নদী, সমুদ্র, বা অন্যান্য জলপথে বিপদের জন্য সতর্ক করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • সড়ক বিপদ সংকেত: রাস্তাঘাটে দুর্ঘটনা, যানজট, বা অন্যান্য বিপদের জন্য সতর্ক করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • অগ্নিনির্বাপণ সংকেত: অগ্নিকাণ্ডের বিপদ সম্পর্কে সতর্ক করার জন্য এবং নিরাপত্তা নির্দেশাবলী প্রদানের জন্য

Categorized in: