বাংলায় “অবৈতনিক” শব্দের অর্থ হল “বেতনহীন” বা “মুক্ত”। এটি একটি বিশেষণ পদ। যে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বেতনহীনভাবে কাজ করে তাকে “অবৈতনিক” বলা হয়। যেমন, একজন অবৈতনিক শিক্ষক, একজন অবৈতনিক চিকিৎসক, একটি অবৈতনিক হাসপাতাল, একটি অবৈতনিক সংগঠন ইত্যাদি।

অবৈতনিক কাজের ক্ষেত্রে সাধারণত কোনো আর্থিক পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। তবে, কিছু ক্ষেত্রে সম্মানী বা ভাতা দেওয়া হতে পারে। অবৈতনিক কাজ করার কারণগুলি বিভিন্ন হতে পারে। যেমন, সামাজিক সেবা, জনকল্যাণ, ব্যক্তিগত আগ্রহ, বা পেশাগত উন্নয়নের জন্য।

অবৈতনিক কাজের গুরুত্ব অপরিসীম। এটি সমাজে সামাজিক সেবা বৃদ্ধিতে, জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটাতে, ব্যক্তিগত আগ্রহ ও উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে এবং পেশাগত উন্নয়নে সহায়তা করতে পারে।

অবৈতনিক কাজের কিছু উদাহরণ হল:

  • সামাজিক সংস্থাগুলিতে স্বেচ্ছাসেবকতা
  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবৈতনিক শিক্ষকতা
  • চিকিৎসা সেবায় অবৈতনিক সহায়তা
  • পরিবেশ রক্ষার কাজে অবদান রাখা