প্রাক্কলন হল পরিসংখ্যানের একটি শাখা যা একটি জনসংখ্যার অজানা বৈশিষ্ট্যগুলিকে নমুনার মাধ্যমে অনুমান করার সাথে সম্পর্কিত। প্রাক্কলনের লক্ষ্য হল একটি জনসংখ্যার একটি বৈশিষ্ট্যের একটি সম্ভাব্য মান নির্ধারণ করা, এমনকি যদি সেই বৈশিষ্ট্যটি সরাসরি পরিমাপ করা সম্ভব না হয়।

প্রাক্কলন দুটি প্রধান ধরনের হয়:

  • এক-বিন্দু প্রাক্কলন: এটি একটি জনসংখ্যার একটি একক বৈশিষ্ট্যের একটি সম্ভাব্য মান নির্ধারণ করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানি তার গ্রাহকদের গড় আয়ের একটি প্রাক্কলন করতে পারে।
  • অন্তর প্রাক্কলন: এটি একটি জনসংখ্যার একটি বৈশিষ্ট্যের একটি সম্ভাব্য মানগুলির একটি পরিসর নির্ধারণ করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি নির্মাণ কোম্পানি একটি নির্মাণ প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয়ের একটি অন্তর প্রাক্কলন করতে পারে।

প্রাক্কলন বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করে করা যেতে পারে। কিছু সাধারণ পদ্ধতি হল:

  • সরল গড়: এটি একটি নমুনার মানগুলির গড় হিসাবে প্রাক্কলিত মান নির্ধারণ করে।
  • সরল অনুপাত: এটি একটি নমুনার মানগুলির অনুপাত হিসাবে প্রাক্কলিত মান নির্ধারণ করে।
  • রেগুলেটেড ভেরিয়েন্স: এটি একটি নমুনার মানগুলির ভেরিয়েন্সের একটি নির্দিষ্ট মানের উপর ভিত্তি করে প্রাক্কলিত মান নির্ধারণ করে।

প্রাক্কলন বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যেমন:

  • বাজার গবেষণা: কোম্পানিগুলি তাদের গ্রাহকদের চাহিদা এবং আচরণ সম্পর্কে প্রাক্কলন করতে প্রাক্কলন ব্যবহার করতে পারে।
  • পরিসংখ্যানগত নিয়ন্ত্রণ: শিল্পে, কোম্পানিগুলি তাদের উৎপাদন প্রক্রিয়াগুলির গুণমান নিয়ন্ত্রণ করতে প্রাক্কলন ব্যবহার করতে পারে।
  • অর্থনীতি: অর্থনীতিবিদরা অর্থনৈতিক প্রবণতা এবং সম্ভাব্যতা সম্পর্কে প্রাক্কলন করতে প্রাক্কলন ব্যবহার করতে পারেন।

প্রাক্কলন একটি শক্তিশালী সরঞ্জাম যা বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি একটি জনসংখ্যার অজানা বৈশিষ্ট্যগুলি সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য প্রদান করতে পারে।